১৯ এপ্রিল ২০১৮, ৬ বৈশাখ ১৪২৫, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
English Site Archive Login
 
Space For Ads
MENU
MENU
JOBAIDBD.COM

১৩ বছরেও হয়নি কিবরিয়া হত্যার বিচার !

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারী, ২০১৮ ০৫:১৫ পি. এম. জেনিউজ বিডি ডট কম

পাবেল খান চৌধুরী ::

আজ থেকে ১৩ বছর পুর্বের এই বেদনাবিদূর ঘটনা এখনো নাড়া দেয় হবিগঞ্জসহ দেশবাসী সবাইকে। আলোচিত বৈদ্যের বাজার ট্রাজেডির কথা ভুলতে পারেননি কেউ। সেদিনের নির্মম হামলায় নিহত হন শাহ এ এম এস কিবরিয়া, শাহ মঞ্জুরুল হকসহ ৫ জন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী। আহত হন হবিগঞ্জ ৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও তৎকালীন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডঃ মোঃ আবু জাহিরসহ অন্তত ৭০ জন নেতাকর্মী। ওই হামলায় আহতরা এখনও কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। বিভাষিকাময় সেই দিনের কথা মনে করে আজো আঁতকে উঠেন তারা।

শাহ এ এম এস কিবরিয়া ছাত্রজীবনে ছিলেন অদম্য মেধাবী। পেশাগত জীবনে ছিলেন সবার থেকে এগিয়ে। রাজনীতিরও শুরু শীর্ষ থেকে। জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে চেষ্টা করতেন সবার পাশে থাকার। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি শীতের বিকেলে তিনি এসেছিলেন প্রিয় মানুষগুলোর কাছে। কিন্তু ঘাতকের নির্মম গ্রেনেড হামলায় তাকে চলে যেতে হয়েছে পৃথিবী ছেড়ে। দেশ হারায় এক সূর্য সন্তান শহীদ শাহ এ এম এস কিবরিয়াকে।

আজ থেকে ১৩ বছর আগের এই বেদনাবিদূর ঘটনা এখনো নাড়া দেয় সবাইকে। আলোচিত বৈদ্যের বাজার ট্রাজেডীর কথা ভুলতে পারেননি কেউ। সেদিনের নির্মম হামলায় আহতরা এখনও কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। বিভাষিকাময় সেই দিনের কথা মনে করে আঁতকে উঠেন তারা।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি বিকেলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে ঈদ পরবর্তী এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তৎকালীন হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। বিশাল মাপের এই মানুষটি সাধারণ জনগণের সাথে সহজেই মিশতে পারতেন বলে তাঁর জনসভা ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। বক্তব্য শেষে যখন তিনি মঞ্চ থেকে নেমে সহকর্মীদের নিয়ে বৈদ্যের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেইটে আসেন তখনই দিনের আলো নিভে প্রায় সন্ধ্যা। হঠাৎ করেই বিকট শব্দ। হুড়োহুড়িতে চারদিকে গগনবিদারী চিৎকার। আর্জেস গ্রেনেডের আঘাতে অনেকেই স্থম্ভিত। কারো দিকে কারো নজর দেয়ার সময় নেই। এমন সময় দূরে থাকার লোকজন ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। কিবরিয়াসহ আহতদের নিয়ে ছুটে যান হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে। মুখে মুখে খবর ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। হাসপাতালে তখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ঘটনার আকস্মিকতায় চিকিৎসকরাও তখন হতবিহ্বল। শাহ এএমএস কিবরিয়া ও তৎকালীন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহিরের প্রচন্ড রক্তক্ষরণ কোন ভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছিল না। নেতাকর্মীরা তখন দিগিবিদিক ছুটছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা হয় হেলিকপ্টারের জন্য। কিন্তু দ্রুত তা ব্যবস্থা করতে না পেরে সিদ্ধান্ত হয় এ্যাম্বুলেন্সে রওয়ানা দেয়ার। একই অ্যাম্বুলেন্সে করে কিবরিয়া ও আবু জাহিরকে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। পথিমধ্যে আরো একটি অ্যাম্বুলেন্স পেলে তাদেরকে আলাদাভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঢাকা যখন অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায় তখন চিকিৎসক কিবরিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মৃত্যুতে স্তম্ভিত হয়ে পড়ে গোটা জাতি। হরতাল অবরোধে হবিগঞ্জ শহর কার্যত অচল হয়ে পড়ে। গ্রেনেড হামলায় শুধু শাহ এএমএস কিবরিয়া নন, তাঁর ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী প্রাণ হারান। আহত হন কমপক্ষে ৭০ জন নেতাকর্মী।


এ ঘটনার পরদিন ২৮ জানুয়ারি তৎকালীন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ খান এমপি বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে কাজ করে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা। কিন্তু মামলাটির স্বাভাবিক তদন্ত না হয়ে দলীয় বিবেচনায় পরিচালিত হতে থাকে। 

সিআইডি’র তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সি আতিকুর রহমান মামলাটি তদন্ত করে ১০ জনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ২০ মার্চ ১ম অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই অভিযোগপত্রে তৎকালীন জিয়া স্মৃতি ও গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল কাইয়ুম, জেলা বিএনপির কর্মী ও ব্যাংক কর্মকর্তা আয়াত আলী, কাজল মিয়া, জেলা ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, জিয়া স্মৃতি গবেষণা পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আলী, বিএনপি কর্মী তাজুল ইসলাম, বিএনপি কর্মী জয়নাল আবেদীন জালাল, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জমির আলী, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন মোমিন ও ছাত্রদল কর্মী মহিবুর রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়। আব্দুল কাইয়ুমকে স্বীকারোক্তির জন্য ৪৭ দিন রিমান্ডে নেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

অভিযোগপত্র দেয়ার পর মামলার বাদী অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ খান ২০০৬ সালের ৩ মে সিলেট দ্রুত বিচার আদালতে না-রাজি আবেদন করেন। আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করলে ১৪ মে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। আপিলের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সরকারের প্রতি ‘কেন অধিকতর তদন্ত করা যাবে না’ মর্মে রুল জারি করেন। এই রুলের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালের ১৮ মে লিভ টু আপিল করে সরকার। আপিল বিভাগ সরকারের আপিল খারিজ করেন। এরপর ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর এ মামলার অধিকতর তদন্ত শুরু হয়। দায়িত্ব দেয়া হয় সিআইডি’র সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলামকে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তিনি ২০১১ সালের ২০ জুন আরও ১৪ জনকে আসামী করে এই আলোচিত মামলার অধিকতর তদন্তের অভিযোগপত্র দাখিল করেন। কিবরিয়া হত্যাকান্ডের সাড়ে ৬ বছর পর লুৎফুজ্জামান বাবর, মুফতি হান্নানসহ ২৪ জনকে আসামী করে অধিকতর তদন্তের অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছিল। সম্পুরক চার্জশীটে ১ম ১০ জনের বাইরে অভিযুক্ত হন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান, লস্কর ই তৈয়বা সদস্য আব্দুল মজিদ কাশ্মীরি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু’র ভাই মাওলানা তাজ উদ্দিন, মহিউদ্দিন অভি, শাহেদুল আলম দিলু, সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ, ফজলুল আলম মিজান, মিজানুর রহমান মিঠু, মোহাম্মদ আব্দুল হাই, মোহাম্মদ আলী, মুফতি সফিকুর রহমান, বদরুল এনায়েত মোঃ বদরুল ও বদরুল আলম মিজান।

২০১১ সালের ২৮ জুন কিবরিয়ার স্ত্রী আসমা কিবরিয়া চার্জশীটের উপর হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল আদালতে না-রাজি আবেদন করেন। আবেদনে আসমা কিবরিয়া উল্লেখ করেন, যেহেতু তদন্তকারী কর্মকর্তার দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, চারদলীয় অন্যান্য মন্ত্রী ও নেতা কর্মীদের পরস্পর যোগসাজসে হরকাতুল জিহাদ সদস্যদের সহায়তায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, সিলেটের মেয়র বদর উদ্দিন কামরানের উপর দুই দফা হামলা, আওয়ামীলীগের এমপি জেবুন্নেছা হকের বাসায় গ্রেনেড হামলা, বৃটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর গ্রেনেড হামলা, সুরঞ্জিত সেনের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও কিবরিয়ার উপর বৈদ্যের বাজারে গ্রেনেড হামলা সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু অন্য কারো নাম অভিযোগপত্রে নেই। তাই তা যথাযথভাবে তৈরি হয়নি। এছাড়াও তৎকালীন জেলা প্রশাসক এমদাদুল হককে নিবিঢ়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মুল তথ্য উদঘাটন হবে বলে আসমা কিবরিয়া দাবি করেন। তিনি আরও দাবি করেন অভিযোগপত্রে দন্ডবিধি ১১৪ ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এই ধারা কার উপর বর্তায় তা পরিস্কার ভাবে সামনে আসেনি। তার দৃঢ় বিশ্বাস, অভিযোগপত্রে যাদের নাম এসেছে তার বাইরেও আরও অনেকেই জড়িত রয়েছেন। 

আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার মুল নথি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে থাকায় বিচারক রাজিব কুমার বিশ্বাস উপনথির মাধ্যমে আবেদনটি সিলেটে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি হত্যাকান্ডের অধিকতর তদন্তের অভিযোগপত্রের নারাজি আবেদন গ্রহণ করেন সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক দিলীপ কুমার বণিক। তিনি সিনিয়র পুলিশ অফিসারের মাধ্যমে মামলার অধিকতর তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন।

২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকেয়া আক্তারের আদালতে কিবরিয়া হত্যা মামলার ৩য় সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডি সিলেট অঞ্চলের তৎকালীন সিনিয়র এএসপি মেহেরুন নেছা পারুল। অভিযোগপত্রে নতুন ১১ জনকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। অন্তর্ভূক্ত আসামীরা হলেন সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গউছ, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরী, মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি তাজ উদ্দিন, মুফতি সফিকুর রহমান, মোহাম্মদ আলী, বদরুল, মহিবুর রহমান, কাজল আহমেদ, হাফেজ ইয়াহিয়া। একই সাথে পূর্বের চার্জশীটভূক্ত ইউসুফ বিন শরীফ, আবু বক্কর আব্দুল করিম ও মরহুম আহছান উল্লাহকে চার্জশীট থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। ৩ ডিসেম্বর মামলার শুনানিকালে অভিযোগপত্রে ত্র“টির কথা উল্লেখ করে সংশোধিত অভিযোগপত্র জমা দেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ প্রেক্ষিতে ২১ ডিসেম্বর সংশোধিত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আদালত। একই সাথে পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির আদেশ দেয়া হয়। ২৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে ৩৫ জনকে আসামী ও ১৭১ জনকে সাক্ষী করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মেহেরুন নেছা পারুল। 

এদিকে হত্যা মামলাটি সিলেটের দ্রুত বিচার আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বিস্পোরক মামলাটিও বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। 

বৈদ্যার বাজার ট্র্যাজেডিতে অনেকই এখনও পঙ্গু অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। সেই ভয়াল স্মৃতি এখনও তাদেরকে তাড়িয়ে বেড়ায়। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেন, আমি বেচে থাকার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। ভারতে গিয়ে চিকিৎসা করে সুস্থ হলেও এখনও আমার গায়ে গ্রেণেডের শত স্পি­ন্টার। পায়ে স্টিল লাগানো। তবে আল্লাহর রহমতে বেচে আছি এটাই বড় কথা। তিনি দ্রুত বিচার কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্ক্র্যাচে বড় দিয়ে চলাফেরা করেন আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল্লাহ সরদার। তিনি বলেন, সেদিন বিকট শব্দের পর আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি। কিছুই মনে ছিলনা আর। দীর্ঘ চিকিৎসায় সুস্থ হলেও কোনভাবে চলাফেরা করেন তিনি। গ্রেণেড হামলায় আহত অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুক বলেন, আমি অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছি। তবে শরীরের যে বেদনা বইতে হয়েছিল তা ছিল কঠিন। আল্লাহর রহমতে এখন সুস্থ আছি। গ্রেণেড হামলায় আহত কুদ্দুছ মিয়া জানান, আমরা অনেক কষ্ঠে আছি। এখন আর কেউ আমাদের খোজ নেয়না। তবে আমরা সরকারীভাবে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। ২৭ জানুয়ারীর কথা স্মরণ করতেই আৎকে উঠেন তিনি।

গ্রেণেড হামলায় নিহত আব্দুর রহিমের স্ত্রী আফিয়া খাতুন জানান, তিনি সরকারের কাছে কিছুই চান না। মৃত্যুর আগে তার স্বামী হত্যার বিচার দেখে যেতে চান। নিহত ছিদ্দিক আলীর ছেলে কুদ্দুছ মিয়া জানান, বিচার কাজ শুরু হলেও কবে শেষ হবে এ নিয়ে তার পরিবার হতাশ। তিনিও মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার দাবী জানান।


ব্রেকিং নিউজ: